অত্র লাখাই ১নং সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার ১নং লাখাই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে এর রূহিতনসী গ্রামে চারটি সংলগ্ন পাড়ার বড় পাড়ায় অবস্থিত।
রুহিতনসী গ্রামের মধ্যস্থলে বিদ্যালয়টি অবস্থিত।
বিদ্যালয়ের উত্তর পশ্চিমে সুতাং নদী, অমরিকা চরণ ও শ্যামা চরণ দাসের (জমিদার) জরাজর্ণী বাড়ি ঐতিহ্যবাগী ঠাকুর বাড়ি এবং বিদ্যালয় সংলগ্ন শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক (সাবেক) নাজিম উদ্দীন ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দিনের বাড়ী। উত্তর পূর্বে সাবেক ইউ/পি চেয়ারম্যাম জনাব জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি ও মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলমের বাড়ি। পশ্চিমে এ.সিআরসি উচ্চ বিদ্যালয় ও হাসপাতাল। দক্ষিণে ডি.সি সড়ক, দু’পাশে সবুজ ফসলের মাঠ ও বটতল িবাজার ১টি টাওয়ারে আচ্ছাদিত করলেও উত্তরে দৃষ্টি রাখলে দেখা যায় (বন্ধের সময় ব্যতিত) বিদ্যালয়ের উড্ডীয়মান পতাকা) আমরা বিদ্যালয়ের িএর মান অক্ষুন্ন রাখার লক্ষ্যে শিক্ষক বৃদ্ধি সহ সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থী।
অত্র লাখাই ১নং সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার ১নং লাখাই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে এর রূহিতনসী গ্রামে চারটি সংলগ্ন পাড়ার বড় পাড়ায় অবস্থিত। পূর্বে দরগা পাড়ার মৌলভী বাড়িতে ছিল, বাস্তব প্রমাণ ওলিকুল শিরমনি হযরত শাহ জালাল (রঃ) এর সঙ্গী হযরত শাহ সোলতান (রঃ) এর মাঝারের (দরগার) নামে নাম কয় দরগা পাড়া। দরগাহের খাদিম (দরগা বাড়ি) মৌলভী বাড়ি।
আমি মোছাঃ রাবেয়া খাতুন প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী ও এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং ফাতেমা বেগম বর্তমানে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রাক্তন ছাত্রী ও স্থায়ী বাসিন্দা। আমরা গ্রামের গণ্যমান্য লোকেরা (১৯৮২ সনের) স্বাক্ষর প্রাপ্ত ১টি আবেদন (যাহা প্রতিষ্ঠাতার দাবীতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা) বিশ্বস্থতায় বিশ্বাসী বিদ্যালয়টির প্রথম ১৮৯৬প্রতিষ্ঠা করেন মৌঃ পীর মিজানুর রহমানের (ওয়াহাবী ও পাঠানীদের বিরুদ্ধে মুজাহীদ আন্দোলনে খুরাশানের যুদ্ধে শহীদ সুযোগ্য পুত্র উক্ত যুদ্ধে গাজী পীরজাদা মৌঃ কলমদার সাহেব, গ্রামের মুরুব্বীয়ানদের সহযোগিতায় উনার কাচারী ঘরে বিদ্যালয় ৪০ বছর চলে । পরে বর্তমান জায়গায় ব্রজেন্দ্র লাল রায় জমি দান করায় পরে জমিদার শ্যামল চরণ দাস এ ঘরটি একানে স্থানান্তরিত হয় এবং সরকারী ব্যয়ে চলে ১৯৬১ সনে উক্ত জরাজীর্ণ ঘরের জায়গায় এল আকৃতির আধা পাকা ঘর হয়। বাকী জমি দান করেন শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক এর মাতা আমেনা খাতুন, অন্য দাতা আজগর হোসেন তালুকদার । এরপর পশ্চিম অংশে আর ১টি আধা পাকা ঘর হয়। গত ২০০৯ সন -২০১১ সনে। এল আকৃতির ঘরের স্থানে দু’তলা পাকা ভবন হয়।
১৯৮২ সনের পিতা মহের প্রতিষ্টার ইতিহাস রাখার জন্য মৌঃ কলমদার সাহেবের পৌত্র পীর জাদা মাহফুজুর রহমান (বর্তমানে জীবিত) আবেদনটি করেন বৃটিশ আমলের জৈনিক ব্যক্তির চোখে দেখা বাস্তব প্রমাণে অন্য লোকজন বিশ্বস্থ হয়ে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্যে শুধু মৌঃ আব্দুল খালেক অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জীবিত আছেন।
শিশু শ্রেণী- ৩০ জন. ১ম শ্রেণী- ১৫৪ জন, ২য় শ্রেণী- ১৩০, ৩য় শ্রেণী- ১৪৫, ৪র্থ শ্রেণী-১০২ জন, ৫ম শ্রেণী- ৬১ জন। |
| ||||||||||||||||||||||||||||||
|
বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-ছাত্র লেখাপড়া করে সুনাগরিক হিসাবে তৈরী হয়ে দেশ সেবায় নিয়োজিত আছেন। এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী মহাপরিচালক, প্রয়েসর, সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস